১. এন্ড্রয়েড ফান্ডামেন্টালস:
এন্ড্রয়েড কী, এর বিভিন্ন ফিচার, ইতিহাস এবং অ্যাপ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার। অ্যাপ রান করার নিয়ম এবং ফাইল স্ট্রাকচার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।
২. এন্ড্রয়েড উইজেট:
অ্যাপ্লিকেশনের বিভিন্ন ভিউ বা উইজেট যেমন—বাটন এবং টেক্সট ফিল্ড তৈরির নিয়ম।
৩. অ্যাক্টিভিটি এবং ইনটেন্ট:
অ্যাপের বিভিন্ন পেইজ বা স্ক্রিন (অ্যাক্টিভিটি) তৈরি এবং এক স্ক্রিন থেকে অন্য স্ক্রিনে যাওয়ার (ইনটেন্ট) মাধ্যম ও ডাটা ট্রান্সফার পদ্ধতি।
৪. অ্যাডভান্স উইজেটস:
মেনু (Menu), অ্যাডাপ্টার (Adapter), লিস্ট ভিউ (List View) এবং ফ্র্যাগমেন্টস (Fragments) সম্পর্কে বিস্তারিত।
৫. ডাটা স্টোরেজ:
এন্ড্রয়েডে ডাটা স্টোর করার পদ্ধতি, ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল স্টোরেজ এবং এসকিউলাইট (SQLite) ডাটাবেসের ব্যবহার।
৬. মাল্টিমিডিয়া এপিআই (API):
অ্যাপের ভেতরে অডিও এবং ভিডিও ফাইল হ্যান্ডেল করার পদ্ধতি।
৭. স্পিচ এপিআই (API):
কীভাবে টেক্সটকে ভয়েসে (Text-to-Speech) রূপান্তরিত করতে হয়।
৮. টেলিফোনি এপিআই (API):
ফোন কল করা, এসএমএস পাঠানো এবং ইমেইল সেন্ড করার ফিচার যুক্ত করা।
৯. সেন্সর এপিআই (API):
ফোনের বিভিন্ন মোশন সেন্সর এবং এনভায়রনমেন্ট সেন্সর ব্যবহার করার কৌশল।
১০. এন্ড্রয়েড অ্যানিমেশন:
টেক্সট এবং ইমেজগুলোকে রোটেট, স্লাইড এবং ফ্লিপ করার জন্য অ্যানিমেশনের ব্যবহার।
১১. অ্যাপ পাবলিশিং:
সম্পূর্ণ তৈরি করা একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন গুগ
ল প্লে স্টোরে পাবলিশ করার নিয়ম।

0 Comments